এখন পড়ছেন
খবর

স্বাধীন তদন্ত চায় এইচআরডব্লিউ

image_24364_0গত ৫ ও ৬ মে হেফাজতে ইসলামের অবরোধ ও সমাবেশ কর্মসূচিতে বিপুল পরিমাণ মানুষের হতাহতের ঘটনার কিনারা করতে শিগরিই একটি স্বাধীন তদন্ত কমিশন গঠনের আহ্বান জানিয়েছে ।

শনিবার এক বিবৃতিতে নিউইয়র্কভিত্তিক আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাটি এই আহ্বান জানায়। এছাড়া গঠিত তদন্ত কমিশন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়ের পর ফেব্রুয়ারি, মার্চ ও এপ্রিলে প্রতিবাদ বিক্ষোভ নিহতদের ব্যাপারেও তদন্ত পরিচালনার দাবি জানিয়েছে মানবাধিকার সংস্থাটি।

বিবৃতিতে বলা হয়, সেদিন রাতে আসলে কী ঘটেছিল সেটা পরিষ্কার নয়। অভিযানে নিহতের সংখ্যাও এখন পর্যন্ত পরিষ্কার নয়।

সরকারের হিসাব মতে, নিহত হয়েছে ১১ জন। যদিও স্থানীয় গণমাধ্যমে নিহতের সংখ্যা ৫০ জনের মতো বলা হয়েছে। তবে কয়েক হাজার কর্মীর প্রাণহানির দাবি করা হয়েছে হেফাজতে ইসলামের পক্ষ থেকে।

দেশের প্রধান বিরোধী দল বিএনপি ও জামায়াতকে তাদের নেতাকর্মীরা যাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর বেআইনি হামলা না করে সে নির্দেশনা দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

এছাড়াও আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারে জাতিসংঘের মৌলিক নীতিমালা অনুসরণ করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জনসম্মুখে নির্দেশনা দিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাটি।

সংস্থাটির এশিয়া অঞ্চলের পরিচালক ব্র্যাড অ্যাডামস বলেন, বিক্ষোভকারী, অবরোধে অংশ নেয়াদের মধ্যে যারা ক্ষতিগ্রস্ত তাদের দায় সরকারকে নিতে হবে এবং প্রত্যেকটি ঘটনায় আলাদা আলাদা তদন্তের ব্যবস্থা করতে হবে।

হেফাজতের ‘গণহত্যা’ দাবিতে দেশের ভেতরে ও বাইরে রাজনৈতিক উদ্বেগ বাড়ছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, ৫ ও ৬ মে’র কর্মসূচিতে নিহতের সংখ্যা নিয়ে সারাদেশে বাতাসের গতিতে গুজব ছড়াচ্ছে। সরকার অতিসত্ত্বর স্বচ্ছতা দেখাতে না পারলে এ গতি থামবে না।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বিরোধী দলের সমর্থক দুটি টেলিভিশন চ্যানেল দিগন্ত ও ইসলামিক ৬ মে ভোররাতে বন্ধ করা হয়েছে এবং প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তা চালুর অনুমতি দেয়া হয়নি। চ্যানেল দুটি হেফাজতের ঢাকা অবরোধ ও মতিঝিলে অবস্থান কর্মসূচি সরাসরি সম্প্রচার করে।

এদিকে, এপ্রিলে বিরোধী মতের পত্রিকা দৈনিক আমারদেশ বন্ধ করে দিয়ে পত্রিকাটির সম্পাদক মাহমুদুর রহমানসহ আরো অনেক সাংবাদিককে গ্রেপ্তার করে সরকার। এছাড়া কয়েকজন নাস্তিকতা চর্চাকারী ব্লগারকেও গ্রেপ্তার করা হয়।

বর্তমানে বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচাইতে মুক্ত ও গণতান্ত্রিক সরকার চলছে দাবি করা হলেও এসব নিয়ন্ত্রণের ঘটনায় সে দাবির ন্যয্যতা হারায় বলে সমালোচনা করেন অ্যাডামস।

তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, যুদ্ধাপরাধ টাইব্যুনালের আরো রায় এবং নির্বাচনকে ঘিরে আগামীতে বাংলাদেশে ব্যাপক বিক্ষোভ হবে। আগের ঘটনাগুলোর সুষ্ঠু তদন্ত, জবাবদিহিতা এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিক্ষোভ দমনের কৌশলে পরিবর্তন আনা না হলে রক্তপাত চলতে থাকবে।

Advertisements

আলোচনা

কোন মন্তব্য নেই এখনও

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

হেফাজতে ইসলামের খবর

https://banglargangai.wordpress.com/wp-admin/widgets.php#available-widgets

ফরহাদ মজহারের কলাম

Join 253 other followers