এখন পড়ছেন
খবর

নারী সমাবেশে ছাত্রীদের উপস্থিতি বাধ্যতামূলক করছে

এতদিন শোনা গিয়েছিল ২৭ এপ্রিলের নারী সমাবেশ সফল করতে গার্মেন্ট ও এনজিও কর্মীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করার জন্য জোর প্রচারণা চালানো হচ্ছে। এবার ঢাকার পত্রিকা নয়া দিগন্ত বলছে, রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্রীদের মতিঝিলের নারী সমাবেশে উপস্থিত হওয়া বাধ্যতামূলক করবে ছাত্রলীগ। যেকোনো মূল্যে ছাত্রীদের সর্বোচ্চ উপস্থিতি নিশ্চিত করে হেফাজতের বিরুদ্ধে তাদের শক্তির জানান দেবে ছাত্রলীগ। ইতোমধ্যে দলীয়ভাবে তারা এ সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করেছে।

পত্রিকাটি আরো জানাচ্ছে, ইতোমধ্যে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্রীদের ওই দিনের সমাবেশে অংশ নেয়ার জন্য প্রতিনিধি ঠিক করেছে সংগঠনটি। তাদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এসব প্রতিনিধি রাজধানীর বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের নারী সমাবেশে অংশগ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত করতে ব্যাপক তৎপরতা চালাচ্ছে। পাশাপাশি স্কুলের ছাত্রীদেরও সমাবেশে অংশগ্রহণের কথা মাথায় রেখেছে ছাত্রলীগ। ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং প্রয়োজনে ছাত্রীদের টাকার বিনিময়ে হলেও সে দিনের ‘নারী জাগরণি’ সমাবেশে অংশ নিতে বাধ্য করানো হবে বলে জানিয়েছে ছাত্রলীগের একাধিক কেন্দ্রীয় নেতা।

আরো বলছে, অনেকেই মনে করছেন- শাহবাগীদের প্রত্যক্ষ ইন্ধনে আগামী ২৭ এপ্রিল মতিঝিলে সমাবেশ করা হবে। তবে কেউ যেন বুঝতে না পারে যে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক এবং ছাত্রসংগঠন নারী সমাবেশ করছে। সেজন্য ছাত্রলীগসহ বিভিন্ন ছাত্রসংগঠন এবার কৌশল অবলম্বন করছে। কৌশল হিসেবে থাকছে ছাত্রলীগ এবং বাম ঘরানার বিভিন্ন প্রায় ৩০টি ছাত্রসংগঠনের সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠন করা। আর কমিটি আড়ালে থেকে নারী সমাবেশে কলকাঠি নাড়বে। সাধারণ মানুষ যেন বুঝে যে এ দেশের ‘প্রগতিশীল’ নারী সমাজ হেফাজতে ইসলামের ১৩ দফা দাবিকে সমর্থন করে না।

গণজাগরণ মঞ্চ সূত্র জানায়, ২৭ এপ্রিল নারী সমাবেশের পেছনে কলকাঠি কে নাড়বে তা এখনো স্পষ্ট হয়নি। তবে আড়ালে থেকে শাহবাগ গণজাগরণ মঞ্চই নারী সমাবেশ করবে বলে জানা গেছে। তাদের মূল সহযোগী ছাত্রলীগ এবং অন্যান্য বাম ঘরানার কয়েকটি ছাত্রসংগঠন।

সূত্র জানিয়েছে, বিভিন্ন কলেজ যেমন- ইডেন সরকারি মহিলা কলেজ, সরকারি বদরুন্নেসা মহিলা কলেজ, গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজের ছাত্রীদের সেদিন সমাবেশে উপস্থিত থাকতে বাধ্যতামূলক করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এ ছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ছাত্রী হলের ছাত্রীদের সমাবেশে নিয়ে যাওয়া হবে। এ জন্য সংশ্লিষ্ট ছাত্রী নেত্রী এবং ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

এর আগে গত মাসে রাজধানীর ভিকারুন নিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজে গিয়ে ছাত্রীদের কাছে আন্দোলনের পক্ষে সাফাই বক্তব্য রেখেছেন ইমরান এইচ সরকার। সেখানে গিয়ে তিনি কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই ছাত্রীদের সাথে যুদ্ধারপরাধীদের ফাঁসির বিষয়ে আলাপ করেন।

Advertisements

আলোচনা

কোন মন্তব্য নেই এখনও

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

হেফাজতে ইসলামের খবর

https://banglargangai.wordpress.com/wp-admin/widgets.php#available-widgets

ফরহাদ মজহারের কলাম

Join 253 other followers