এখন পড়ছেন
খবর

দেখামাত্র গুলি

5720_1বিরোধী দল বিএনপি-জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১৮ দলের ডাকা ৩৬ ঘন্টা হরতালের আগে রাতে বিরোধীদলীয় নেতা-কর্মীদের ওপর গুলি চালাতে আইন-শৃংখলা বাহিনীর প্রধানদের নির্দেশ দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মহিউদ্দীন খান আলমগীর।

এ ছাড়াও  বৈঠকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস ও গয়েশ্বর চন্দ্র রায় এবং সহ-সভাপতি ও ঢাকা মহানগর শাখার আহ্বায়ক সাদেক হোসেন খোকার ততপরতা নিয়ে আলোচনা হয়। রাজধানীতে বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের জন্য এ তিন নেতাকে দায়ী করা হয়।

মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে তার বনানীর বাসভবনে অনুষ্ঠিত এক জরুরি বৈঠকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রধানদের বৈঠকে এ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্দেশনায় মহাসড়কে বা রেলপথে যারা অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর বা নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড চালাবে, তাদের দেখামাত্র গুলি করতে বলা হয়েছে।

জানতে চাইলে বৈঠকের বিষয়টি নিশ্চিত করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীর বলেন, যারা হরতালের নামে মানুষের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করবে, জানমালের ক্ষতি করবে, মহাসড়ক ও রেলপথে আগুন দেবে, ভাঙচুর করবে তাদের বিরুদ্ধে দেওয়ানি, ফৌজদারি ব্যবস্থাসহ কঠোর পদক্ষেপ নিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এছাড়াও বৈঠকে হরতাল আহ্বানকারী বিরোধী দলীয় নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে সারা দেশে মামলা করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। মামলা করতে সারা দেশে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

দেখামাত্র গুলি করার এ নির্দেশে মানবাধিকার লঙ্ঘিত হবে না দাবি করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সংখ্যাগরিষ্ঠ লোকের মানবাধিকার রক্ষা করার জন্য সহিংসতার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হলে তাতে মানবাধিকার লঙ্ঘিত হবে না।

এই সিদ্ধান্ত নিয়ে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বলেন, ‘যদি এমন সিদ্ধান্ত হয়ে থাকে, তবে আমি একমত নই। সহিংসতার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে নানাভাবে ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে, নানা কৌশলে তাদের প্রতিহত করা যেতে পারে। কিন্তু গুলি করা সঠিক সিদ্ধান্ত নয়।’ তিনি বলেন, সরকার চাইলে তাদের বিশেষ ক্ষমতা আইন প্রয়োগ করে আটক করে রাখুক। কিন্তু চরম বাড়াবাড়ি করা যাবে না।

প্রসঙ্গত, সরকার বিরোধী বিক্ষোভ করতে গিয়ে গত ফেব্রুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত ১৭০জন নেতা-কর্মী পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছে বলে দাবি করে আসছে বিরোধী দল বিএনপি ও জামায়াত। এ ব্যাপক প্রাণহানিকে ‘গণহত্যা’ বলে সরকারকে অভিযুক্ত করে।

আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় মানবাধিকার সংগঠনগুলোও পুলিশের গুলিতে বিরোধীদলীয় কর্মীদের মৃত্যুকে ‘হত্যাকাণ্ড’ আখ্যা দিয়েছে।

Advertisements

আলোচনা

কোন মন্তব্য নেই এখনও

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

হেফাজতে ইসলামের খবর

https://banglargangai.wordpress.com/wp-admin/widgets.php#available-widgets

ফরহাদ মজহারের কলাম

Join 253 other followers